পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার এই ৩টি ইসলামিক উপায় দেখুন

পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার ইসলামিক উপায় গুলো পোস্টে দেখে নিন। ইসলামিক উপায় গুলো অনুসরণ করলে আপনার সন্তানের মেধা বৃদ্ধি পাবে পড়া মনে থাকবে পড়ায় মনোযোগ বৃদ্ধি থাকবে এবং বাচ্চারা তাড়াতাড়ি যেকোনো পড়া বুঝতে পারবে। 
পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার ইসলামিক উপায়
আমাদের সকল সমস্যার সমাধান পবিত্র কুরআন শরীফে দেয়া রয়েছে সেই কুরআন শরীফ থেকে সংকলিত কিছু দোয়া এবং ইসলামিক শিক্ষা নিয়ে আজকের এই পোস্টে হাজির হয়েছি। আশা করি আপনারা সকলে ভালো আছেন আজকের এই পোস্টে আমরা আলোচনা করব পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার ইসলামিক উপায় গুলো।

পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার এই ৩টি ইসলামিক উপায় দেখুন

পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার ইসলামিক উপায়: বর্তমান সময়ে বাচ্চারা পড়াশোনায় মনোযোগ বসাতে পারে না বাচ্চাটা পড়তে চাই কিন্তু পড়াশোনায় মনোযোগ বসেনা দুই মিনিট কিংবা পাঁচ মিনিট পড়াশোনা করার পর মনে হয় আর অন্য কিছু করি। 

অতএব বাচ্চাটা পড়াশোনা নিজের মনোযোগ কে ধরে রাখতে পারে না যার ফলে পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়ছে। এমন হাজার হাজার শিক্ষার্থী রয়েছে যারা পড়াশোনা করতে চাচ্ছেন কিন্তু করতে পারছেন না। 

পড়া মনে থাকে না পড়া দ্রুত বুঝতে পারেন না। কালকে কি পড়েছেন আজকে আর মনে করতে পারছেন না বাচ্চাদের পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার উপায় গুলো নিয়ে আজকের পোস্টে আলোচনা করব। 

পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার জন্য একটি নির্দিষ্ট রুটিন তৈরি করতে হবে। প্রথমে পড়ার পরিবেশ ঠিক করুন পড়ার পরিবেশ যদি ভালো না হয় অনেক কোলাহল থাকে অনেক উচ্চ শব্দ থাকে তাহলে সেখানে কখনোই পড়াশোনা হবে না। 

পড়াশোনা শুরু করার আগে মোবাইল ফোনটিকে পরিবারের কোনো সদসের কাছে দিয়ে আসুন। পাশে মোবাইল ফোন রেখে কখনই পড়াশোনা হবে না। পাশে মোবাইল ফোন রেখে পড়াশোনা শুরু করলে দুই মিনিট পর পর আবার মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে শুরু করবেন।

পড়ার পরিবেশ ঠিক করুন : যেখানে পড়তে বসবেন প্রথমের সেই পরিবেশটিকে ঠিক করুন সেখানে শান্ত পরিস্কার পরিবেশ হতে হবে অতিরিক্ত উচ্চ কোলাহল থাকা যাবে না। অপরিষ্কার থাকা যাবে না।

উচ্চকলাহলে পড়াশোনা হবে না আবার পরিবেশ অপরিষ্কার হলেও পড়াই মন বসবে না। পড়াশোনার পরিবেশ থেকে কিংবা পড়ার রুম থেকে অপ্রয়োজনীয় জিনিসগুলো দূর করে ফেলুন।

পড়ার রুমে শুধুমাত্র আপনার বই পুস্তক থাকবে এবং আপনি থাকবেন। এখানে আর অন্য কোন কিছু রাখবেন না এতে পড়ার মনোযোগ পড়ার প্রতি থাকবে অন্য কোথাও যাবে না। 

প্রতিদিনের নির্দিষ্ট রুটিন তৈরি করুন : পড়াশোনায় মনোযোগ ধরে রাখার জন্য প্রথমে পড়াশোনার অভ্যাস তৈরি করুন। নিজেকে পড়াশুনার মধ্যে অভ্যস্ত ভাবে গড়ে তুলুন। আমরা মানুষ হচ্ছি অভ্যাসের দাস। আমাদের অভ্যাস যেমন হয় আমরা ঠিক সেই কাজগুলোতেই বেশি আগ্রহ প্রকাশ করি।

তাই পড়াশোনায় মনোযোগী হতে হলে প্রতিদিন এমন একটি রুটিন তৈরি করুন এবং সেই রুটিনে প্রতিদিন একই সময়ে পড়তে বসুন তাহলে দেখবেন আপনার মনোযোগ অন্য কোথাও যাবে না পড়াশোনা প্রতি মনোযোগ অনেক দৃঢ় হবে।

 নিজের আত্মবিশ্বাস ও মনোবল দৃঢ় করুন : নিজের আত্মবিশ্বাস ও মনোবলকে দৃঢ় করুন যখন আপনি আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠবেন নিজের লক্ষ্যে অনেক আত্মবিশ্বাসী হবেন তখন অবশ্যই আপনার পড়াশোনায় মন বসবে। 

আর প্রত্যেকটি বিষয়কে চ্যালেঞ্জিং ভাবে নেন। এখন থেকে প্রত্যেকটি বিষয়কে প্রতিযোগিতামূলকভাবে ভাবতে শুরু করুন তাহলে অবশ্যই আপনি পড়াশোনা মনোযোগ বসবে এবং আপনি সর্বদাই চেষ্টা করবেন সবার থেকে ভালো হতে। 

নিজেই উদাহরণ তৈরি করুন : পড়তে বসার সময় নিজেই উদাহরণ তৈরি করুন তাহলে বাচ্চারা আপনাকে অনুকরণ করবে আপনি এমন একজন মানুষ হয়ে দেখান যেন প্রত্যেকে আপনার মত হতে চাই। 

পড়াকে মজার করে তুলুন : আমরা পড়াশোনা কে একঘেয়েমি মনে করি এবং পড়াশোনা কি একদম পছন্দ করি না কিন্তু পড়াশোনাকে যদি আপনি মজা করে তুলতে পারেন তাহলে দেখবেন পড়ার প্রতি আপনার অনেক মন মনোযোগ বসবে।

বিভিন্ন বিষয়বস্তুর সাথে চিত্র কিংবা কৌতুক ধাঁধা এড করুন এতে সেই পড়াগুলো আপনার খুব ভালো মনে থাকবে এবং পড়া আপনার কাছে অনেক বেশি মজার মনে হবে। 

প্রতিদিন নতুন কিছু শিখুন : প্রতিদিন নতুন কিছু শিখার অভ্যাস তৈরি করুন। প্রতিদিন নতুন কিছু শিখার অভ্যাস তৈরি করলে এটি আপনাকে বহুদূর এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে। 

প্রতিদিন নতুন কিছু শিখতে শিখতে আপনি ধীরে ধীরে অনেক বেশি অভিজ্ঞ হয়ে উঠবেন এবং নতুন কিছু শিখার প্রতি আপনার আগ্রহ দিন দিন বেড়েই যাবে এতে আপনি বহু জ্ঞানের অধিকারী হয়ে উঠবেন।

উপরের এই কয়েকটি উপায় অনুসরণ করলে আশা করি আপনার পড়াশোনায় মনোযোগ বসবে। পড়াশোনায় মনোযোগ পাঠানো খুব কঠিন কোন বিষয় নয় শুধুমাত্র আমরা চেষ্টা করি না। 

চেষ্টা করলে সব কিছু সম্ভব। ওপরে নিয়মগুলো অনুসরণ করুন তাহলে মাত্র দুই থেকে তিন দিন এই লক্ষ্য করে দেখবেন পড়াশোনায় আপনার মনোযোগ বসতে শুরু করেছে। 

সন্তানের মেধা বৃদ্ধির দোয়া

সন্তানের মেধাবৃদ্ধির দোয়া হচ্ছে : আল্লাহুম্মা ফাক্কিলহু,, ফিদ্দীন 

ওয়া আল্লিম হুত তাওইল ( اللهمّ فقيه في الدين وعليّه تأويل)
এর অর্থ:  (হে আল্লাহ, তাকে ধর্ম ও তার শিক্ষার জ্ঞান দান করুন)

যারা সন্তানের জ্ঞান বৃদ্ধি করতে চাচ্ছেন সন্তানের মেধাবৃত্তি করতে যাচ্ছেন তারা প্রতিদিন সন্তান ঘুমিয়ে পড়ার পরে তার মাথার উপর হাত রেখে তিনবার এই সূরাটি পাঠ করে মাথায় ফু দিবেন। 

এতে খুব দ্রুত আপনারা ফলাফল বুঝতে পারবেন আপনার সন্তানের মেধাবৃত্তি পাবে এবং সে পড়াশোনা খুব বেশি মেধাবী হয়ে উঠবে যে কোন কাজও খুব পারদর্শী হয়ে উঠবে। 

পড়া মনে রাখার দোয়া আরবি

পড়া মনে রাখার দোয়া খুঁজছেন?? পড়া মনে রাখার দোয়া হচ্ছে: আল্লাহুম্মা ইন্না নাস্তাইনুকা , আলা তা আতিক। ( اللهم إنا نستاينوك ) । যেকোনো পড়া মনে রাখার জন্য এই দোয়া পাঠ করতে পারবেন। 

যদি পড়া মনে না থাকে তাহলে এই সূরাটি নিয়মিত পাঠ করুন প্রতিদিন সকালে সন্ধ্যায় এবং রাতে ঘুমানোর আগে এই সূরাটি পাঠ করেন তাহলে আপনার যদি সত্যি অনেক বেশি ভালো হবে এবং যেকোনো পড়া মনে থাকবে।

মেধাবৃদ্ধি করার দোয়া/ জ্ঞান বৃদ্ধি করার দোয়া 

আমরা প্রত্যেকেই চাই যে আমাদের মেধা ও জ্ঞান বৃদ্ধি পাক। এই পৃথিবীতে সৌন্দর্য দ্বারা কোন কিছু কিন্তু না পারলে আপনি মেধা দ্বারা সেই জিনিস কিনতে পারবেন। কথাটি শুনতে খুব তিতো মনে হল এ কথাটি সত্যি। 

এই পৃথিবীতে যদি আপনি সুন্দর না হন তাহলে কি আপনাকে মূল্য দিবে না কিন্তু যদি আপনি মেধাবী হন তাহলে সৌন্দর্য এর সাথে আপনি প্রতিযোগিতা করতে পারবেন।

এই পৃথিবীতে সৌন্দর্য এবং মেধা এই দুইটি জিনিস দ্বারা সবকিছু জিতে নেওয়া সম্ভব। আর যার মধ্যে সৌন্দর্য এবং মেধা দুইটি রয়েছে সে হলো এই পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মানুষ। 

আমরা দেখে নিয়ে কিভাবে আমরা আমাদের মেধা বৃদ্ধি করতে পারি। যদি মেধা ভালো না হয় যদি জ্ঞান বুদ্ধি কম হয় তাহলে নিয়মিত এই দোয়াগুলো পাঠ করুন। 

শনিবারে খালি পেটে এই দোয়া পাঠ করতে হবে: ফাতা আলাল্লাহুল, মালেকুল হাক্কুল লা ইলাহা ইল্লা হুয়া রাব্বুল আরশিল কারীম।( فتح الله، ملك الحق، لا إله إلا الله هو، رب أرشيل كريم) 

শনিবারের সকালে উঠে খালি পেটে এ দোয়া পাঠ করতে হবে। তাহলে সৃষ্টিকর্তা আপনার জ্ঞান বুদ্ধি সবকিছু বৃদ্ধি করে দিবেন। 

রবিবারে খালি পেটে এই দোয়া পাঠ করুন সকালে; ক্কুল, রাব্বি জিদনি ইলমান। (كول، الحاخام زيدني إلمان)

তারপর সোমবারে খালি পেটে আবারো সকালে এই দোয়াটি পাঠ করুন: সানিক্করিউকা ফালা তানছা( (سانيكاريوكا فالا تانشا) 

মঙ্গলবারে খালি পেটে এই সূরা পাঠ করুন: লাতু হাররিকু বিহি লিসানিকা লিনাজ আলা বিহ ((Latu Harriku Bihi Lisanika Ala Bih )

এই সূরাগুলো প্রতিদিন নিয়মিত পাঠ করতে শুরু করলে খুব দ্রুত আপনার জ্ঞান বুদ্ধি বাড়তে শুরু করবে আপনার মেধা খুব ভালো হয়ে যাবে যেকোনো কাজে আপনি পারদর্শী হয়ে উঠবেন প্রত্যেকে আপনার সুনাম করতে শুরু করবে। 

বাচ্চাদের পড়া মনে রাখার দোয়া 

বাচ্চাদের কিংবা যে কোন প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যাক্তি মনে রাখার জন্য উপরে দেখুন মনে রাখার দোয়া দেয়া হয়েছে।আল্লাহুম্মা ইন্না নাস্তাইনুকা , আলা তা আতিক। ( اللهم إنا نستاينوك ) ।। এই দোয়াটি নিয়মিত পাঠ করলে আপনার বাচ্চার মেধা শক্তি বৃদ্ধি পাবে এবং যে কোন পড়ার মনে থাকবে 

তাড়াতাড়ি পড়া মুখস্ত করার দোয়া 

তাড়াতাড়ি পড়া মুখস্ত করার দোয়া বলতে এমন কোন নির্দিষ্ট দোয়া নেই। কিন্তু যাদের পড়া মনে থাকে না তারা কিছু নির্দিষ্ট দোয়া পাঠ করতে পারেন যার ফলে সৃষ্টিকর্তা মেধা শক্তিকে অনেক বৃদ্ধি করে দিবেন। 

রব্বিস রহলি, সদরি ওয়া ইয়াস সিরলি আমরি, ওয়াহলুল, উকদাতাম,মিল ফি ইয়াফ কাহু কাউলি। এই সূরাটি পাঠ করার পরে পড়া দ্রুত মুখস্ত হবে। 

আশা করি আপনারা সকলে বুঝতে পেরেছেন যে কোন পড়া মনে রাখার দোয়া কোনটা এবং খুব দ্রুত তাড়াতাড়ি পড়া মুখস্ত করার দোয়া কোনটা। এই দোয়াগুলো পাঠ করলে আপনাদের মেধা শক্তি জ্ঞান সৃষ্টিকর্তা বৃদ্ধি করবেন।

পাঠকদের কিছু প্রশ্ন এবং উত্তর

এইখানে পাঠকদের কমেন্ট বক্সে করে যাওয়া কিছু প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হলো। আপনার যদি কোন প্রশ্ন কিংবা মন্তব্য থাকে তাহলে কমেন্ট বক্সে আমাদেরকে জানিয়ে দিতে পারেন আমরা সেই প্রশ্নগুলোর উত্তর এখানে দিয়ে দিব।

জ্ঞান বৃদ্ধির দোয়া কোনটা?? 

জ্ঞান বৃদ্ধি করার দোয়া হচ্ছে (رَبِّ زِدْنِي عِلْمًا) উচ্চারণ: রব্বি যিদনি ইলমা। এই দোয়াটি পাঠ করলে খুব দ্রুত জ্ঞান বৃদ্ধি পাবে।  এর অর্থ: হে আমার প্রতিপালক আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করে দিন ।

পড়ার সহজবোধ্যতা এবং আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির জন্য দোয়া কোনটা??? 

আপনার পড়া কি সহজবদ্ধ এবং আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করার জন্য নিচের দোয়াটি পাঠ করুন। رَبِّ اشْرَحْ ,لِي صَدْرِي ,,وَيَسِّرْ لِي أَمْرِي وَاحْلُلْ ,عُقْدَةً مِّن لِّسَانِي ,يَفْقَهُوا قَوْلِي (রাব্বিস রোহলি ইয়া সাদরি, ওয়া ইয়াসসিরলি আমরি, ওয়াহ্লুল উক্বদাতাম মিল লিসানি ইয়াফক্বাহু ক্বওলি)

মনোযোগ স্থির করার উপায় কি?? 

মনোযোগ স্থির করতে নিয়মিত ৩ বার দরুদ শরিফ পাঠ করুন। এতে আপনার মনোযোগ স্থির হবে এবং মনোযোগ ধরে রাখতে পারবেন।

যেকোনো কঠিন পড়া মনে রাখার দোয়া কি??

যেকোনো কঠিন পরা খুব দ্রুত মনে রাখার দোয়া হচ্ছে: সুবহানাকা,,,, লা ইলমা লানা, ইল্লা মা আল্লামতানা,,,,,, ইন্নাকা আনতাল আলিমুল হাকিম।।।

পড়ার আগে কোন দোয়া পড়লে পড়া মনে থাকবে??

পড়া শুরু করার আগে আপনি যদি এই দোয়াটি পাঠ করেন তাহলে আপনার পড়ার শুভ হবে এবং পড়া মনে থাকবে ।('বিসমিল্লাহ') 

পড়া শেষে কোন দোয়া পাঠ করব??

পড়া শেষে কিংবা যখন কোন কঠিন বিষয় পড়াশোনা করবেন তখন সেই পড়াকে মনে রাখার জন্য এই দোয়া পাঠ করুন:  'ইয়া ক্বাবিয়্যু' (يا قويُّ) । এ দোয়াটি এগারো বার পাঠ করতে হবে।

আমাদের শেষ কথা 

প্রিয় পাঠক আজকের এই পোস্টে আপনাদের সাথে আমরা আলোচনা করলাম বাচ্চাদের পড়া মনে রাখার দোয়া, পড়ায় মনোযোগ বৃদ্ধির দোয়া , পড়াশোনায় ভালো করার দোয়া ,বাচ্চা দের পড়া মনে রাখার দোয়া, পড়ায় মনোযোগ বৃদ্ধির দোয়া, পড়াশোনায় ভালো করার দোয়া এবং পড়া শেষ করার দোয়া গুলো।

আজকের এই পোস্টটি ছিল ইসলামিক বিষয় নিয়ে কোন কোন দোয়া গুলো পাঠ করলে পড়া মনে থাকবে মেধা শক্তি ভালো হবে সেই সকল বিষয় নিয়ে এই পোস্টে আলোচনা করা হলো। 

আপনারা যদি নিয়মিত এই সূরাগুলা পাঠ করেন তাহলে মেধা শক্তি উন্নত হবে পড়াশোনায় মনোযোগ বসবে এবং জ্ঞানশক্তি বৃদ্ধি পাবে। আজকের এই পোস্টটি যদি আপনার নিকট ভালো লেগে থাকে তাহলে একটি কমেন্টের মাধ্যমে অবশ্যই জানাবেন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

বাংলা আইটিটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url