বীজগণিতের জনক কে - পাটিগণিতের জনক কে বিস্তারিত জানুন

বীজগণিতের জনক কে পাটিগণিতের জনক কে সেই সকল বিষয় নিয়ে আজকে এই পোস্টে আমরা বিস্তারিত আলোচনা করব চলুন আমরা তাড়াতাড়ি দেখে আসি গণিতের জনক কে অর্থাৎ গণিত এই সাবজেক্ট কে আবিষ্কার করেছে আজকের এই পোস্টে আপনারা গণিত শাস্ত্রের জনক কে বাংলাদেশের গণিতের জনক কে সেই সকল বিষয় নিয়ে বিস্তারিত জানতে পারবেন। 
বীজগণিতের জনক কে - পাটিগণিতের জনক কে
প্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ আপনারা যারা গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী রয়েছেন কিংবা যাদের গণিত খুব প্রিয় একটি সাবজেক্ট আমার মত তাদের জন্য আজকের এই পোস্ট। চলুন আমরা তাড়াতাড়ি দেখে আসি গণিতের জনক কে বীজগণিতের জনক কে, পাটিগণিতের জনক কে, আধুনিক গণিতের জনক কে ইত্যাদি।

ভূমিকা

গণিত হল সাবজেক্ট এর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি সাবজেক্ট আপনারা ছোট থেকেই নিশ্চয়ই প্রত্যেকে গণিত এই শব্দটি শুনে এসেছেন। কারণ ছোট বাচ্চা থেকে শুরু করে বড়রা প্রত্যেকেরই ক্লাসে গণিত এই সাবজেক্ট দেওয়া থাকে। 

আমাদের প্রত্যেকে গণিতে বিশেষভাবে দক্ষ হতে হবে তাছাড়া আমরা বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করতে পারব না যদি বিজ্ঞান নিয়ে আপনি পড়াশোনা করতে চান বিজ্ঞান কল্পনা করতে চান তাহলে গণিত এর কোন বিকল্প নেই। 

এছাড়াও দৈনন্দিন জীবনের হিসাব-নিকাশের কাজে গনিত হল অপরিহার্য বিভিন্ন যুক্তি সংখ্যা সমস্যার সমাধানে গণিত ব্যবহার করা হয় গণিত ছাড়া আধুনিক বর্তমান বিজ্ঞান কে কল্পনা করা সম্ভব না এছাড়া প্রযুক্তি ইঞ্জিনিয়ারিং এর ক্ষেত্রে সব ক্ষেত্রে গণিত ব্যবহার করা হয়।

এমনকি অর্থনীতিতে গণিত ব্যবহার করা হয় গণিত ছাড়া অর্থনীতি অচল বললেই চলে। আজকের এই পোস্টে আমরা গণিতে নিয়ে সবকিছু বিস্তারিত আলোচনা করব যে গণিতের আসলে জনক কে এই সাবজেক্ট আবিষ্কার করে??

গণিতের জনক কে 

অনেকের মনে নিশ্চয়ই এ প্রশ্ন আসে যে এমন এই গণিত সাবজেক্ট কে আবিষ্কার করেছে?? অনেকেই রয়েছে যারা গণিত খুব পছন্দ কর তারাও জিজ্ঞাসা করো আবার অনেকেই যারা গণিতের নাম শুনলেও ভয় পেয়ে যাও তারাও জিজ্ঞাসা করে যে আসলে এই গণিত আবিষ্কার কে করেছে??

গণিত এই সাবজেক্ট আবিষ্কার করেছে আর্কিমিডিস। আর্কিমিডিসের নাম ইংরেজিতে Archimedes of Syracuse । তিনি প্রথম গণিত আবিষ্কার করেন তার বাবার নাম ছিল সিরিয়াস এবং তার বাবা ছিলেন একজন জ্যোতির্বিদ। বাবার কাছ থেকে মূলত এই গণিত সম্পর্কে ধারণা নিয়েছিলেন আর্কিমিডিএস। 

আর্কিমিডিএস পড়াশোনা করেছে মিশরের আলেকজান্দ্রিয়া শহরে। তখন বিশ্বের সবচেয়ে বড় জ্ঞানকেন্দ্র ছিল এই মিশরের আলেক জন্দ্রিয়া। আর্কিমিডিস পড়াশোনা করেছেন গণিত নিয়ে জ্যামিতি নিয়ে পদার্থবিজ্ঞান নিয়ে এবং জ্যোতির্বিজ্ঞান নিয়ে যেহেতু তার বাবার জ্যোতির্বি ছিল। 

আর্কিমিডিস কবে গণিত আবিষ্কার করে? 

অনেকে জিজ্ঞাসা করে যে কিভাবে কোথায় এই গণিত আবিষ্কার হয় এই বিষয়ে একটি মজার কাহানি রয়েছে। আর কিরিস কিন্তু একদিনে কিংবা এক ঘণ্টাতেই এই গণিতকে আবিষ্কার করেননি এটি হল তার সম্পূর্ণ জীবনের একটি ফলাফল। 

আর্কিমিডিস ছোট থেকেই ছিল খুব বেশি প্রতিভাবান প্রকৃতির ছেলে। তার বাবা যেহেতু একজন জ্যোতির্বিদ ছিল তাই তিনি তার বাবার কাছ থেকেই গণিত সম্পর্কে কিছু কিছু ধারনা অর্জন করেছিল। আর্কিমিডিস প্রথম ২৬৭ খ্রিস্টাব্দ থেকে ২১২ সাল পর্যন্ত এই গণিতে নিয়ে কাজ করতে থাকেন। এই দীর্ঘ সময় নিয়ে তিনি গণিত নিয়ে খুব গবেষণা করেন। 

পৃথিবীর সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ গণিতবিদদের লেখা বই পড়েছিলেন আর্কিমিডিস আলেকজান্ত্রিয়া মিশরে। তারপর আর্কিমিডিস দেশে ফিরে এসে একা বসে বসে আবারো সেই গণিত নিয়ে ধারণা করতে শুরু করে। গণিত কবে আবিষ্কার হয়েছে সে বিষয়ে নির্দিষ্ট সাল কারি জানা নেই। 

ধারণা করা হয় ২৫০ খ্রিস্টাব্দেতে প্রথম বড় এক ধরনের গাণিতিক বিষয় নিয়ে কাজ করা হয় তাই ধারণা করা হয় যে এই ২৫০ খ্রিষ্টাব্দ তে গণিত আবিষ্কার করা হয়। আশা করছি আপনারা সকলে বুঝতে পেরেছেন কবে গণিত আবিষ্কার করা হয় এবার চলুন দেখে আসি আর্কিমিডিসের জীবন বৃত্তান্ত। 

আর্কিমিডিসের জীবন বৃত্তান্ত 

আর্কিমিডিসের পূর্ণ নাম Archimedes of Syracuse । সে ২৮৭ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করে। এবং ২১২ খ্রিস্টাব্দ তে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। এখন অনেকেই প্রশ্ন করতে পারো কিভাবে তাহলে এটা সম্ভব ২৮৭ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করলে ২১২ খ্রিস্টাব্দে কিভাবে তিনি মারা যায়??

আমরা যেভাবে সাল গণনা করি তা হচ্ছে 2020 থেকে ২০২১- ২০২২ তারপর ২০২৩ তাই না?? কিন্তু খ্রিস্টপূর্বের সময়ের ধারা ছিল ৩০০ থেকে ২৯৯ তারপরে ২৮৮ তারপরে ২১২ তারপরে ২১১ এভাবে। সেই হিসাবে আর্কিমিডিস জন্মগ্রহণ করেছিল 287 খ্রিস্টাব্দে। তারপর তিনি মৃত্যুবরণ করে ২১২ খ্রিস্টাব্দে। 

অতএব তিনি মোট ৭৫ বছর বয়সে মারা যান। আর্কিমিডিস তার পিতার নাম ছিল সিরিয়াস এবং তার বাবা ছিল একজন জ্যোতির্বিদ। আর্কিমিডিস তার মাতার নাম স্টোরিতে ঠিকভাবে উল্লেখ করা নেই। প্রাচীন যুগে নারীদের সম্পর্কে খুব কম তথ্য ও সংগ্রহ করা হতো।। আর্কিমিডিস মিশরের সবচেয়ে বড় একটি শহরে সবচেয়ে বড় একটি জ্ঞান যদি পড়াশোনা করেছেন। 


কাকে মেরেছে বিষয় ছিল গণিত জ্যোতির্বিজ্ঞান পদার্থবিজ্ঞান এবং জ্যামিতিক। আর্কিমিডিসের প্রথম সূত্র হচ্ছে ভাসমান বস্তুর বিজ্ঞানটি। আমরা অনেকে ফিজিকস এবং ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে এই সূত্রটি পড়েছে নিশ্চয়ই ভাসমান বস্তুর বিজ্ঞান। একজন মানুষ কেন পানির মধ্যে ডুবে যায় আবার একটি জাহাজ কেন পানিতে ডুবে না যদিও মানুষের তুলনায় জাহাজের ভর বেশি তবুও কেন জাহাজ পানির ভেতরে ডুবে যায় না??

এ বিষয় তিনি প্রথম সূত্র আবিষ্কার করেন তারপরে তিনি পাই এর মান নির্ণয় করে তিনি প্রথম বলেছিলেন পাই= ৩.১৪। তারপরে তিনি বৃত্তের ক্ষেত্রফল আর পরিধির সূত্র কে আবিষ্কার করেছিল। আর্কিমিডিস ছিল খুবই প্রতিভাবান প্রকৃতির মানুষ তিনি প্রথম গণিত আবিষ্কার করেন। 

আর্কিমিডিস জ্যামিতিকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দেয়। তবে সময়ের সাথে আর্কিমিডিস ২০১২ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করে রোমান সৈন্যরা দখল করার সময় তিনি এক গণিতের সমস্যা সমাধান করে দিয়েছিল যার কারণে এক শূন্য তাকে সেখানে হত্যা করে। কেন হত্যা করে সে বিষয়ে কোন কারণ যথাযথভাবে পাওয়া যায়নি। 

আশা করছি আপনারা সকলে আর্কিমিডিসের জীবন বৃত্তান্ত সম্পর্কে জানতে পেরেছেন আশা করা যায় সকলে বুঝতে পেরেছেন গণিতের জনক কে এবার চলুন আমরা দেখে আসি বীজগণিতের জনক কে?? কে বীজগণিত আবিষ্কার করেছিল?

বীজগণিতের জনক কে

অনেকেই জিজ্ঞাসা করেন বীজগণিতের জনক কে?? বীজগণিত এর জনকও হচ্ছে মোহাম্মদ ইবনে মুসা আল খোয়ারিজমি। নামটা হয়তো একটু বড় তাই না?? উনার সম্পূর্ণ নাম হচ্ছে আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে মুসা আল খোয়ারিজমিদ

ধারণা করা হয় তিনি প্রথম ৭৮০ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন এবং তার জন্মস্থান হচ্ছে উজবেকিস্তান। উজবেকিস্তানের নামগুলো এরকম বড় বড় হয় যার কারণে তার নাম একটু বড় হয়তো। কিন্তু তিনি ছিলেন খুব জনপ্রিয় এবং বিখ্যাত একজন ব্যক্তির যে প্রথম বীজগণিত আবিষ্কার করেন তার পিতার নাম ছিল মুসা তিনি ছিলেন পেশায় একজন শিক্ষক। 

তার মাতার নাম ইতিহাস সংরক্ষিত নেই। শুধুমাত্র তোর পিতার নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং তা পিতার নাম হলো মুসা তিনি হিকমা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে। বায়তুল হিকমা বাগদাদ ইরাকের অবস্থিত। তখন ৭০০ খ্রিস্টাব্দে সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি বড় জ্ঞানকেন্দ্র ছিল এই ইরাকের বায়তুল হিকমা। 

তিনি মূলত গণিত দর্শন জ্যামিতি এবং জ্যোতির্বিজ্ঞানে পড়াশোনা করেছেন। এবং তিনিই প্রথম এই বীজগণিত কে আবিষ্কার করেন আপনারা অনেকেই হয়তো বীজগণিত পড়তে খুব ভালোবাসেন। আনুমানিকভাবে বলা হয় যে বীজগণিত ৮১৮ থেকে ২০ খ্রিস্টাব্দ তে আবিষ্কার করা হয়। 

এই ১৮১৮ থেকে ১৮২০ সালের মধ্যে মোহাম্মদ ইবনে মুসা আল খোয়ারিজমি সম্পূর্ণ বীজগণিত তৈরি করেন। তার বীজগণিত তৈরি করার অন্যতম একটি কারণ ছিল বাস্তব জীবনের সমস্যাগুলোর সমাধান করা বীজগণিতের মাধ্যমে। 

যদি বীজগণিতের মাধ্যমে বাস্তব জীবনে সমস্যা গুলো সমাধান করা যায় তাহলে হয়তো আমাদের অনেক সমস্যার সমাধান খুব সহজে আমরা পেয়ে যাব এই ভেবে তিনি মূলত বীজগণিত আবিষ্কার করেছিলেন। 
আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে মুসা আল খোয়ারিজমের।

তিনি সংখ্যা নয় অজানা রাশি ব্যবহার করে চলক ব্যবহার করে বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করতে চেয়েছিলেন। যেমন তিনি সমীকরণের সাহায্যে ধারনার দিন x+ ৫= ১০। এভাবে তিনি সমীকরণের মাধ্যমে অংকের ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করেন। 

তার একটি জনপ্রিয় এবং বিখ্যাত বইয়ের নাম আল কিতাব আল মুখতাসার ফি হিসাব আল জবর ওয়াল মুকা বালা।

আল জবর এর মানে হচ্ছে ঘাটতি পূরণ এবং আল মুকাবালা এর অর্থ হচ্ছে সমান করা। তার এই অবদান শিক্ষার্থীরা কখনোই ভুলতে পারবে না তিনি প্রথম এই বীজগণিতকে আবিষ্কার করেন এবং এই সুন্দর সুন্দর বীজগণিতের সমীকরণগুলো বিজবেন গুলো আমাদের সামনে উপহার দেন। 

বীজগণিত কত ক্লাস পর্যন্ত রয়েছে 

অনেকেই নিশ্চয়ই জানতে চান যে বীজগণিত কত ক্লাস পর্যন্ত রয়েছে!! ক্লাস ফাইভ থেকে শুরু করে বীজগণিত টেন পর্যন্ত রয়েছে। আবার যদি অনার্স জীবনে গণিত নিয়ে অনার্স করেন তাহলেও সেখানে আপনি বহুৎ পাটিগণিত বীজগণিত পেয়ে যাবেন। 

এছাড়াও অনার্সে অর্থনৈতিক কিংবা আরও অন্যান্য ম্যাথমেটিক্যাল সাবজেক্ট নিলেও আপনি বীজগণিত পেয়ে যাবেন। শিক্ষার্থীরা পঞ্চম শ্রেণী থেকে প্রথম বীজগণিত করা শুরু করে। পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের বীজগণিত দেওয়া রয়েছে সেখান থেকেই প্রথম বীজগণিত এ ধারণা শিক্ষার্থীরা গ্রহণ করে।

প্রিয় পাঠক আশা করছি আপনারা সকলে বুঝতে পেরেছেন বীজগণিত এর জনক কে এবার চলুন আমরা দেখে আসি পাটিগণিতের জনক কে?? কে এই পাটিগণিত আবিষ্কার করেছিল এবং কত খ্রিস্টাব্দে আবিষ্কার করে।

পাটিগণিতের জনক কে

আপনি কি জানেন পাটিগণিতের জনক কে?? পাটিগণিতের জনক হচ্ছে আর্য ভোট্রো। সাধারণভাবে বলতে গেলে পাটিগণিত ধাপে ধাপে আবিষ্কার করা হয়েছে। কোন একজন বিজ্ঞানী কিংবা একজন গণিতবিদ পাটিগণিত আবিষ্কার করেনি বরং ভিন্ন ভিন্ন ধাপে ধাপে এই পাটিগণিত আবিষ্কার করা হয়েছে। 

তবে আর্য ভট্ট এর অবদান ছিল অসীম যার কারণে তাকেই বলা হয় পাটিগণিতের আবিষ্কারক কিংবা পাটিগণিতের জনক। তিনি ছিলেন একজন প্রখ্যাত ভারতীয় গরীব এবং জ্যোতির্বি। তিনি গণিতের বৈজ্ঞানিক আর নিমতান্ত্রিক রূপ দেন যার কারণে তাকে বলা হয় পাটিগণিতের আবিষ্কারক।

আধুনিক গণিতের জনক কে

অনেকে জিজ্ঞাসা করেন আধুনিক গণিতের জনক কে আধুনিক গণিত বলতে কী বোঝায়?? আধুনিক গণিতের জনকহ হচ্ছে রেনে দেকার্ত। তিনি হল আধুনিক গণিতের জনক আধুনিক গণিত বলতে বোঝায় যেমন বীজগণিতের জ্যামিতির। রেনে দেকার্ত তিনি ৩১ শে মার্চ ১৫৬ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করে ফ্রান্সে তিনি হলেন একজন গণিতবিদ দার্শনিক এবং বিজ্ঞানী। 

রেনে দেকার্ত প্রথম এক এবং ওয়াই অক্ষ ব্যবহার করে গ্রাফ চিত্র অঙ্কন করেন। এছাড়াও তিনি প্রথম এক্স ওয়াই জেড অজানা রাশি ব্যবহার করে বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করেন এই জন্য রেনে দেকার্ত কে আধুনিক গণিতের জনক বলা হয়। 

আধুনিক বীজগণিতের জনক কে 

যারা বীজগণিত খুব পছন্দ করেন তারা অনেকেই জিজ্ঞাসা করেন যে আধুনিক বীজগণিতের জনক কে?? আধুনিক বীজগণিতের জনক হচ্ছে Emmy noether। Emmy noether প্রথম ১৯২০ দশকের কাছাকাছি আধুনিক বীজগণিত প্রতিষ্ঠা করে। তার প্রধান প্রধান কয়েকটি অবদান 
  • Abstract algebra 
  • Noetherian ring 
প্রিয় পাঠক আশা করছি আপনারা বুঝতে পেরেছেন আধুনিক বীজগণিতের জনক কে এবার চলুন আমরা দেখে আসি বাংলাদেশের গণিতের জনক কে??

বাংলাদেশের গণিতের জনক কে 

অনেকেই নিশ্চয়ই জানতে চান যে বাংলাদেশের গণিতের জনক বলতে আবার কি বোঝায়?? বাংলাদেশের গণিতের জনক বলতে এমন একজনকে বোঝানো হয় যার মাধ্যমে এই দেশে গণিত চর্চা হচ্ছে যিনি শিক্ষক যিনি গবেষক যিনি গণিতকে জনপ্রিয় করে তুলেছেন এবং শক্তিশালী করে তুলেছেন। 

আর আমাদের দেশে বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় হচ্ছেন ড কাজী মোতাহার হোসেন তিনি হল গণিতের জনক আমাদের বাংলাদেশের। ড কাজী মোতাহের হোসেন ১৮৯৭ খ্রিস্টাব্দে ৩৩ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৮৮১ই খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন তিনি ছিলেন একজন জনপ্রিয় গণিতবিদ পরিসংখ্যানবিদ সাহিত্যিক এবং বুদ্ধ যদি পাশাপাশি অধ্যাপক। 

পাঠকদের কিছু প্রশ্ন 

বাংলাদেশ গণিত কত সালে আবিষ্কার হয়??

আমাদের বাংলাদেশে কোন নির্দিষ্ট সময়ে গণিত আবিষ্কার হয়নি তাই এভাবে বলা মুশকিল যে বাংলাদেশে কবে গণিত আবিষ্কার হয়েছে। ধীরে ধীরে ভিন্ন ভিন্ন বিজ্ঞানীরা ভিন্ন ভিন্নভাবে গণিতকে ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। 

গণিতের প্রথম ব্যবহার কবে শুরু হয় এবং কোথায় শুরু হয়??

অনেকে আপনারা জানতে চান যে গণিতের প্রথম ব্যবহার কবে হয় এবং কোথায় শুরু হয়??? গণিতের প্রথম ব্যবহার শুরু হয় মিশরে আর ব্যাবেলিন সভ্যতাতে এবং এই সময় ছিল প্রায় তিন হাজার খ্রিস্টপূর্ব।

আধুনিক গণিতের ভিত্তি কবে গড়ে ওঠে??

আধুনিক গণিতের ভিত্তি ধারণা করা হয় প্রায় ১৭ শতকে গড়ে ওঠে। 

লেখকের শেষ মন্তব্য 

প্রিয় পাঠক বৃন্তগণ আজকের এই পোস্টে আমরা আপনাদের সাথে আলোচনা করলাম গণিতের জনক কে ?? পাটিগণিতের জনক কে?? বীজগণিতের জনক কে?? আধুনিক গণিতের জনক কে এবং আমাদের বাংলাদেশের গণিতের জনক কে। আশা করছি আজকের এই পোষ্টের মাধ্যমে আপনারা সকলে বুঝতে পেরেছেন কত সালে কবে?? 

কোন বিজ্ঞানী কিংবা কোন গণিতবিদ গণিত আবিষ্কার করেছে গণিতের মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন পার্ট রয়েছে যেমন জ্যামিতি রয়েছে বীজগণিত রয়েছে পাটিগণিত রয়েছে আজকের এই পোস্টে প্রতিটি গণিতের আলোচনা করলাম এবং কোন গণিত কোন বিজ্ঞানী কোন গণিতবিদ আবিষ্কার করেছে সেই সকল বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

বাংলা আইটিটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url