বোরকা না পড়ে কিভাবে পর্দা করা যায়? জানুন বিস্তারিত এখানে

আপনি কি জানেন বোরকা না পড়ে কিভাবে পর্দা করা যায়?? বোরকা না পড়ে কি পর্দা করা সম্ভব?? হ্যাঁ, বোরকা না পড়েও পর্দা করা যাবে। ইসলামে হাদিসে কিংবা কুরআনে কিন্তু কোথাও উল্লেখ করা নেই যে মা কিংবা বোনদেরকে বোরকা পরেই পর্দা করতে হবে।
বোরকা না পড়ে কিভাবে পর্দা করা যায়
প্রিয় পাঠক আজকের এই পোস্টে আপনাকে জানাই সুস্বাগতম। আজকের এই পোস্টে শেয়ার করব বোরকা না পড়ে কিভাবে পর্দা করা যায়?? বোরকা না পড়ে কি নামাজ হবে?? খাস পর্দা করার নিয়ম কি?? চলুন আমরা তাড়াতাড়ি দেখে আসি কিভাবে বোরকা না পড়েও পর্দা করা সম্ভব।
ভূমিকা
বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের মেয়েরা পর্দা নিয়ে খুব বেশি সচেতন এখন বাইরে গেলে বেশিরভাগ মেয়েদের গায়ে বোরকা দেখা যায়। বাংলাদেশ আগের থেকে অনেক পরিবর্তন হয়েছে আগে বাংলাদেশে এত মেয়েরা পর্দা করত না কিন্তু বর্তমান সময়ে এখন ঘরে ঘরে বেশিরভাগ মেয়েরা পর্দা করতে ভালোবাসে। 

কারণ আমাদের ইসলাম প্রচার হচ্ছে আমাদের ইসলাম সম্পর্কে প্রত্যেকে জানছে পর্দা করার গুরুত্ব সম্পর্কে প্রত্যেকে জানছে এই জন্য এখন মেয়েরা বাইরে গেলে পর্দা করে বের হয়। তবে পর্দা মানে কি শুধুই  বোরকা?? জানতে নীচে দেখে নিন আরো বিস্তারিত। 

বোরকা না পড়ে কিভাবে পর্দা করা যায়

আপনি যদি বোরকা না পড়ে পর্দা করতে চান তাহলে আপনি একদম সঠিক জায়গাতে এসেছেন। হাদিস কুরানে কোথাও কিন্তু লেখা নেই যে তোমাদেরকে বোরকা পড়তে হবে। পর্দা বলতে শুধুমাত্র বোরকা পড়াকে বোঝানো হয় না। পর্দা মানে বড় ঢিলেঢালা পোশাক যা পড়লে আপনার অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বোঝা যাবে না। 

নারী মানে সৌন্দর্য। নারীদের এই অপরূপ সৌন্দর্য তাকে ঢেকে রাখার জন্য মূলত পর্দা করতে বলা হয় কারণ নারীরা সুরক্ষিত থাকবে। নারীরা হলো খুব পবিত্র কোমল চরিত্র। এই চরিত্রকে সুরক্ষিত রাখার জন্য নারীদেরকে পর্দা করতে বলা হয়েছে। 

ইসলামে পর্দা হচ্ছে একটি নৈতিক ও সামাজিক বিধান যা শুধুমাত্র একটি পোশাকের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। কিন্তু বর্তমান সময়ে পাড়া মহল্লার বয়স্ক মানুষরা মনে করেন শুধুমাত্র বোরকা পরা মানেই পর্দা করা আর অন্যান্য পোশাক পড়লে পর্দা হবে না। 

কিন্তু এ ধারণাটি সম্পূর্ণ ভুল। শুধুমাত্র বোরকা পড়লেই যে পর্দা হবে এমন নয় আপনি ভালো ভালো পোশাক পরেও পর্দা করতে পারবেন। পর্দার মূল উদ্দেশ্যই হচ্ছে লজ্জাশীলতা রক্ষা করা আর চরিত্রের মর্যাদাকে রক্ষা করা

তবে শুধুমাত্র বোরকা পরলেই কিন্তু এই বিধান পূর্ণ হয় না। অনেকে বোরকা পরেন কিন্তু ভালোভাবে হিজাব না চুল দেখা যায় এটাকে কিন্তু কখনোই পর্দা বলা যাবে না। অনেকে আবার বোরকার ওপরে খুব বেশি জাকজমকপূর্ণ সাজুগুজু করেন অনেক বেশি মেকআপ করেন লিপস্টিক ব্যবহার করেন এগুলো কিন্তু কখনোই পর্দার অংশ নয়। 

এগুলো কি পর্দা বলা হয় না বরং লোক দেখানো পর্দা বলা হয়, যাতে সৃষ্টিকর্তা কখনো খুশি হন না। পোশাকের জন্য ইসলামের নির্দেশনা হচ্ছে পোশাক হতে হবে খুব বেশি ঢেলে ঠেলা যেন শরীরের গঠনগুলো স্পষ্টভাবে ফুটে না ওঠে পোশাক এতটা ঢিলে ঢালা পরতে হবে যেন বোঝা না যায় যে সেই মেয়েটি স্বাস্থ্যবান নাকি পাতলা।

এইজন্য বাংলাদেশ সহ আরো ভিন্ন ভিন্ন দেশে বোরকা তৈরি করা হয় যা খুব বেশি ঢিলেঢালা হয় এবং মেয়েরা পর্দা করার জন্য খুব সহজে বোরকাটি পড়ে নেয় এতে কোন কিছু বোঝা যায় না এবং খুব সুন্দর পর্দা করা হয় এর জন্য বাংলাদেশের পর্দা মানেই বোরকা বলা হয়। 

বোরকা পরার একটি উপকার হচ্ছে আপনি যে কোন জামার উপরে বোরকা পরতে পারেন হয়তো আপনারা বাসাতে অনেকেই ছোটখাটো পোশাক পড়েন কিন্তু এই পোশাক পড়ে তো আর বাইরে যেতে পারবে না সে ক্ষেত্রে আপনি যেকোনো পোশাক এর উপরে বোরখা পড়ে নিলে আর কিছু  বোঝা যাবে না।

কিন্তু শুধুমাত্র বোরকা পরলেই যে পর্দা হবে ব্যাপারটা কিন্তু এমন নয়। আপনি যদি বাসায় খুব বড় বড় ঢিলেঢালা পোশাক পড়তে পছন্দ করেন তাহলে এটিও এক ধরনের পর্দা। আপনি খুব সুন্দর বড় ঢিলে ঢেলা পোশাক পরবেন তার পাশাপাশি নিজের চুলকে ঢেকে রাখবেন চুল যেন কেউ দেখতে না পায়। 

তাহলেও আপনার পর্দা হবে। শুধুমাত্র বোরকা বললেই যে পড়তে হবে ব্যাপারটি কিন্তু এমন নয়। আপনি যেকোনো বড় ঢিলে ঢালা পোশাক পড়ুন যে পোশাক পড়লে আপনার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলো স্পষ্টভাবে ফুটে উঠবে না আপনি মোটা নাকি পাতলা বাইরের কেউ বুঝতে পারবে না তার পাশাপাশি নিজের চুলকে ঢেকে রাখুন। 

যারা বোরকা ছাড়াও পর্দা করতে চাচ্ছে না তারা উপরের এই উপায় গুলো অনুসরণ করুন আশা করি প্রত্যেকে বুঝতে পেরেছেন শুধুমাত্র বোরকা পরলেই পর্দা করা হয় নাকি। শুধুমাত্র বোরকা পড়লেই পর্দা করা হয় না পর্দা করার জন্য একটি আরামদায়ক পোশাক হচ্ছে বোরকা এই জন্য আমরা অনেকেই বোরকা পরতে খুব পছন্দ করি। 

কিন্তু আপনাকে যে বোরকা পরতেই হবে এমন কোন বাধ্যবাধকতা নেই আপনি চাইলে ঢিলেঢালা বড় পোশাক করতে পারেন এটিও বোরকার মতো আপনার পর্দা হিসেবে কাজ করবে। আপনাকে বাইরের জগৎ থেকে যদি আড়াল করে রাখে তাহলে সে পোশাকটি অবশ্যই পর্দার কাজ করছে। 

বোরকা না পড়ে কি নামাজ হবে

অনেকেই আবার জানতে চান বোরকা না পড়ে কি নামাজ হবে?? হ্যাঁ অবশ্যই আপনারা বোরকা না পড়েও নামাজ পড়তে পারবেন। বোরকা না পড়ে যে নামাজ পড়া যাবে না ব্যাপারটা কিন্তু এমন নয় ইসলামী বিধি-বিধান অনুসারে নামাজে নারীদের পুরো শরীর অবশ্যই আবৃত থাকতে হবে শুধুমাত্র মুখমন্ডল আর দুই হাত কব্জি পর্যন্ত খোলা থাকবে।

তাছাড়া শরীরের মাথা থেকে পা পর্যন্ত সবকিছু ঢাকা থাকবে এটি চুলও বাইরে থাকবে না। প্রত্যেকটি চুল পোশাকের মাধ্যমে ঢেকে রাখতে হবে। তারপর যথাযথভাবে অজু করে নামাজ আদায় করতে পারবেন। নামাজ পড়ার জন্য বোরকা পড়তে হবে না। 

আপনি বড় ঢিলেঢালা পোশাক পড়তে পারেন এর পাশাপাশি বড় ওড়না কিংবা হিজাব পড়তে পারেন। যাতে আপনার মুখমন্ডল বাদে আপনার পিছনে চুল মাথা কাঁধ গলা সবকিছু ঢাকা থাকে। 
  • আর হাতের কব্জি পর্যন্ত ঢাকা থাকতে হবে। 
  • চুলের একটি অংশ যেন বাইরে দেখা না যায়। 
  • খুব বেশি চাপা কিংবা আট শাট পোশাক পড়া যাবে না।
বোরকা বাদেও আপনারা বাসার দুলে ঠেলা বড় পোশাক পড়ে নামাজ আদায় করতে পারবেন আশা করছি সকলে বুঝতে পেরেছেন নামাজ আদায় করার নিয়ম সম্পর্কে বোরকা না পড়ে নামাজ আদায় করা যাবে নাকি। বোরকা না পড়েও নামাজ আদায় করতে পারবেন কিন্তু ওপরের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবে। 

বোরকা না পড়ে বাইরে যাওয়া যাবে? 

হ্যাঁ বোরকা না করে আপনি অবশ্যই বাইরে যেতে পারবেন কিন্তু অবশ্যই আপনাকে পর্দা করে বাইরে যেতে হবে বোরকা পড়লে যে পর্দা হবে ব্যাপারটা কিন্তু এমন নয় বর্তমান সময়ে বাইরে দেখা যায় এমন অনেক মেয়ে রয়েছে যারা বোরকা পরে কিন্তু ভালোভাবে হিজাব পরেনা।

ভালোভাবে চুলকে ঢেকে রাখে না মুখমন্ডলে প্রচুর মেকআপ করে। এগুলো কিন্তু কোনভাবে বরদা বলা যায় না। এগুলো শুধুমাত্র লোক দেখানো পর্দা সৃষ্টিকর্তা কখনো এমন পর্দা পছন্দ করেন না।

আপনি যদি মানুষকে খুশি করার জন্য পর্দা করেন তাহলে আপনি এভাবে পর্দা করতে পারবেন। কিন্তু যদি আপনি সৃষ্টিকর্তাকে খুশি করার জন্য পর্দা করেন তাহলে আপনাকে অবশ্যই প্রত্যেকটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ঢেকে রাখতে হবে। চাইলে আপনি আপনার মুখমণ্ডল পর্যন্ত ঢেকে রাখতে পারেন।

 মাথা থেকে পা পর্যন্ত সবকিছু ঢেকে রাখতে হবে আর পর্দার ক্ষেত্রে আমি সবসময় বলবো একটি কালো রঙের  বোরকা বোরখা কিংবা  কালো রঙের জামা ব্যবহার করুন। আপনি যদি বোরকা পড়তে পছন্দ না করেন তাহলে আপনার বাসায় থেকে বড় ঢিলেঢালা পোশাক পড়ুন যেন আপনার স্বাস্থ্য বোঝা না।

যায় আপনি মোটা মানুষ নাকি পাতলা মানুষ। একটি সুন্দর পরিপাটি মার্জিত জামা পরুন। মাথায় হিজাব কিংবা ওড়না দিয়ে চুল ঢেকে রাখুন। গলা থেকে পেটে নাভি পর্যন্ত নিচে ওড়না রাখুন। পায়ের গিরে অবশ্যই ঢেকে রাখতে হবে পায়জামার সাহায্যে। এজন্য পায়জামা অনেক বড় করতে হবে এবং ঢিলে পড়তে হবে। 

তাহলে আপনারা পর্দা ছাড়াও বাইরে যেতে পারবেন। তবে আজকাল এই বিধি-বিধানগুলো কয়জন মান্য করে?? খুব কম সংখ্যক নারীরা বর্তমান সময়ে এই বিধি-বিধান গুলো মান্য করেন আশা করি আপনারা এই বিধিবিধান গুলো মেনে চলার চেষ্টা করবেন কোন নারী যদি পরিপূর্ণভাবে তার পর্দা পালন করে তাহলে সে অবশ্যই জান্নাতি। 

খাস পর্দা করার নিয়ম

খাস পর্দা করার নিয়ম সম্পর্কে জানতে চান?? তাহলে আপনি একদম সঠিক জায়গাতে এসেছেন অনেকেই জিজ্ঞাসা করেন খাস পর্দা মানে কি ?? খাস পর্দা বলতে বোঝায় এক ধরনের বিশেষ কঠোর পর্দা ব্যবস্থাকে যেখানে নারীরা নিজেদের বাসার পুরুষদের থেকেও দূরে থাকেন।

আমরা বাসায় পুরুষ বলতে সাধারণত আমাদের বাবা আমাদের পিতা অথবা আমাদের ভাই কিংবা আমাদের দাদা এদেরকে বুঝি তাই না?? এই মানুষগুলো আমাদের অনেক কাছের হলেও আপনি কিন্তু চাইলেই এদের সামনে পর্দা ছাড়া যেতে পারবেন না আপনাকে অবশ্যই পর্দা করতে হবে।

যথাযথভাবে শালীনভাবে চলাফেরা করতে হবে।পোশাক পরিধান করতে হবে এবং গায়ে ওড়না ব্যবহার করতে হবে। আর চেষ্টা করবেন সবসময় পুরুষদের সামনে মাথায় কাপড় দিয়ে থাকার। যারা খাস পর্দা করতে চাচ্ছেন খাস পর্দা হচ্ছে এক ধরনের বিশেষ সংরক্ষিত পর্দা। 

খাস পর্দা করতে হলে আপনাকে অবশ্যই সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে এবং মাটিতে পোশাক পরিধান করতে হবে পোশাক হতে হবে অতিরিক্ত ঢিলে ঢালা শুধুমাত্র বাইরে যাবার জন্য নয় বরং বাড়িতে থাকা অবস্থায় আপনাকে অতিরিক্ত ঢেলা পোশাক পরতে হবে।
  • খাস পর্দা করতে হলে আপনাকে প্রথমে প্রত্যেকটি পোশাক খুব বেশি ঢালা করতে হবে।
  • সব সময় মাথায় কাপড় দিয়ে রাখতে হবে এবং মাথার চুল যেন একটিও বাইরে কেউ দেখতে না পারে। 
  • প্রয়োজন ছাড়া কখনোই ঘরের বাইরে যাওয়া যাবে না। 
  • শরীরের গঠন স্পষ্ট বোঝা যায় এমন জামা কখনোই পরিধান করা যাবে না। 
  • বাইরে যাবার সময় অতিরিক্ত বড় পর্দা করতে হবে। চাইলে একটি কালো রঙের বড় আবায়া বোরকা এর সাথে কালো রঙের বর হিজাব পড়তে পারেন।
  • চলাফেরাই সংযম অবলম্বন করতে হবে। 
  • কণ্ঠস্বর অতিরিক্ত উচ্চ হওয়া যাবে না নম্র ভদ্র কণ্ঠস্বর কথা বলতে হবে। 
  • সুগন্ধি ব্যবহার করে বাইরে যাওয়া যাবেনা। 
  • দৃষ্টি সংযত রাখতে হবে। 
  • অপ্রয়োজনীয় কথা বলা যাবে না। 
  • অপ্রয়োজনীয় কথায় হাসি মজা থেকে বিরত থাকতে হবে।
  • সামাজিক যোগাযোগে শালীনতা বজায় রাখতে হবে। 
  • প্রয়োজন ছাড়া পুরুষদের সাথে কথা বলা যাবে না। 
  • আত্মীয় হওয়া সত্ত্বেও যারা মাহরাম না তাদের সামনে পর্দা করতে হবে। 
  • চাচাতো কিংবা মামাতো ভাই কিংবা খালাতো ভাই এরা মাহরাম না তাই এদের সামনে পর্দা করা জরুরী। 
  • সৃষ্টিকর্তার প্রতি তাকওয়া করতে হবে। 
  • নিজ মনে লজ্জা রাখতে হবে। 
  • পারিবারিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। 
শুধুমাত্র খাস পর্দা করলেই হবে না অবশ্য নিজের চলাফেরা ও কথাবার্তায় স্বাধীনতা আনতে হবে। ওপরে নিয়মগুলো অনুসরণ করে চললেই আশা করি আপনারা একজন পবিত্র আসল মমিন নারী হতে পারবেন। বর্তমান সময়ে মেয়েরা পর্দা করলেও খুব কম সংখ্যক মেয়ে উপরের এই নিয়মগুলো হয়তো মেনে চলে। 

বর্তমান সময়ে মেয়েরা অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা অপ্রয়োজনীয় জায়গায় হাসি মজা মস্তি অতিরিক্ত চিৎকার চেঁচামেচি করা। এইসব কিন্তু একজন প্রকৃত পবিত্র নারীর প্রতীক নয়। নারী মানে সব সময় নম্র ভদ্র শালীন হতে হবে। কণ্ঠস্বর ধীরে হতে হবে অতিরিক্ত চিল্লিয়ে কথা বলা যাবে না। 
আশা করি আপনারা সকলে বুঝতে পেরেছেন খাস পর্দা করার নিয়ম সম্পর্কে। খাস পর্দা করতে হলে বাইরে সর্বদা আপনাকে পর্দা করে যেতে হবে বাসায় বাবা ভাই কিংবা চাচা এদের সামনেও পর্দা করতে হবে। এর জন্য আপনাকে বাসাতে সারিন পোশাক করতে হবে। 


বাসাতে মাথায় হিজাব রাখতে হবে অথবা ওড়না রাখতে হবে যেন চুল কেউ দেখতে না পায়। যথাযথ ভাষায়  শালীনতা বজায় রাখতে হবে। সর্বদা মৃদু কন্ঠস্বরের কথা বলতে হবে এবং মাথা নিচু করে কথা বলতে হবে। আশা করছি সকলে বুঝতে পেরেছেন খাস পর্দা করার নিয়ম সম্পর্কে পর্দা করার পাশাপাশি আপনাদেরকে নিজেদের ব্যবহার নিজেদের কথাবার্তায় পরিবর্তন আনতে হবে। 

লেখকের শেষ কথা 

প্রিয় পাঠক আজকের এই পোস্টে আমরা আপনাদের সাথে আলোচনা করলাম বোরকা না পড়ে কি নামাজ পড়া হবে?? হ্যাঁ বোরকা না পড়েও আপনারা নামাজ পড়তে পারবেন। বোরকা পড়েছে নামাজ পড়তে হবে। এমন কোন বাধ্যবাধকতা নেই আপনারা চাইলে বোরকা না করেও নামাজ পড়তে পারবেন।

কিন্তু একটি ভালো বড় ঢিলেঢালা পোশাক করতে হবে যেন মাথা থেকে পা পর্যন্ত সবকিছু ঢাকা থাকে শুধুমাত্র মুখমন্ডল বাইরে থাকে এবং হাতের কব্জি পর্যন্ত হাত ঢাকা থাকে। তার সাথে আরো আলোচনা করেছি বোরকা না পড়ে কিভাবে পর্দা করা যায়? অনেকে জিজ্ঞাসা করেন বোরকা না পড়ে কিভাবে পর্দা করব? 

যদি আপনি বোরকা না পড়ে পর্দা করতে চান তাহলে আপনাকে বড় বড় ঢিলে ঢালা পোশাক করতে হবে যেন আপনার স্বাস্থ্য কেউ বুঝতে না পারে আপনি মোটা মানুষ নাকি মেয়ে মানুষ এতোটুকু ঢেলা পড়তে হবে। এর পাশাপাশি মাথায় হিজাব কিংবা ওড়না ব্যবহার করতে হবে যেন একটি চুল বাইরে বের না হয়। 

আজকের এই পোস্টে আমরা আরও শেয়ার করেছি খাস পর্দা করার নিয়ম সম্পর্কে। আজকের এই পোস্ট আপনার কাছে কেমন লেগেছে একটি কমেন্টের মাধ্যমে অবশ্যই জানাবেন ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

বাংলা আইটিটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url