সংসদীয় সরকার বলতে কি বুঝ? সংসদীয় সরকারের কতিপয় বৈশিষ্ট্য জানুন
আপনি কি জানেন সংসদীয় সরকার বলতে বোঝায়?? সংসদীয় সরকার বলতে কি বুঝ?? আজকের এই পোস্টে সংসদীয় সরকার বলতে কী বোঝায় আর সংসদীয় সরকারের গতিপথ বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব সাথী সরকার কি গণতন্ত্র কি সে সকল বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।
আপনি যদি সংসদীয় সরকার বলতে কি বুঝ এবং সংসদীয় সরকারের কতিপয় বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে জানতে চান তাহলে এই পোস্ট সম্পূর্ণ দেখুন। অনার্স তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীদের এই সংসদীয় সরকার রয়েছে। আসুন দেখে নিয়ে সংসদীয় সরকার বলতে কী বুঝ, সরকার কি এবং গণতন্ত্র কি।
সংসদীয় সরকার বলতে কি বুঝ
সাম্প্রতিককালে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় শাসন ব্যবস্থা হচ্ছে এই গণতন্ত্র আর এই শাসন ব্যবস্থাকে আইন পরিষদ এবং শাসন বিভাগের সম্পর্কের উপর ভিত্তি করে দুই ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। এক হচ্ছে সংসদীয় সরকার আর দুই হচ্ছে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার। ১৮ শতকের প্রথম দিকে ব্রিটেনের সংসদীয় সরকারের প্রবর্তন করা হয়।
সংসদীয় সরকার: সংসদীয় সরকার বলতে এমন এক ধরনের সরকারকে বোঝানো হয় যে সরকারের মন্ত্রী পরিষদ তাদের কাজের জন্য আইনসভার নিকট দায়ী থাকে। অর্থাৎ যে সরকার এর মন্ত্রী পরিষদ তাদের কর্মকাণ্ডের জন্য আইনসভা নিকট দায়ী হয়ে থাকবে।।
প্রমাণ সংজ্ঞা:
অধ্যাপক গারনার বলেন, সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা এমন এক ধরনের ব্যবস্থা যেখানে প্রকৃত শাসক কিংবা মন্ত্রী পরিষদ তার রাজনৈতিক কার্যাবলীর জন্য প্রত্যক্ষ এবং আইন সংগতভাবে আইনসভা কিংবা এর একটি কক্ষের দিকেও দায়ী থাকে আর অবশেষে নির্বাচকমণ্ডলী নিকট দায়ী হয়ে থাকে। এইখানে নামমাত্র শাসক অর্থাৎ রাষ্ট্রপতির পদটি তেমন গুরুত্বপূর্ণ না।।
অধ্যাপক হার ম্যান ফাইনার বলেছিলেন, সংসদীয় সরকার হচ্ছে স্বল্প সংখ্যক ব্যক্তির সমন্বয়ে গঠিত এমন এক ধরনের সংস্থা যেখানে সদস্যবৃন্দ আইনসভার সংখ্যাগরিষ্ঠ দল কিংবা দল সমূহের মধ্য থেকে নিয়োগ লাভ করে আর যারা সচরাচর ওই সংস্থার ঐ সদস্য এবং আইনসভার আস্থা লাভ সাপেক্ষে ক্ষমতাসীন থাকে এবং ক্ষমতা কার্যকর করেন।
জনগণ সরাসরি সরকারের স্থায়ী কর্মচারী কিংবা আইনসভার সংস্পর্শে আসে না বরং রাজনৈতিক দলগুলো আইনসভা কে প্রত্যক্ষভাবে না হলেও অনেকটা পরোক্ষভাবে পরিচালিত করে বললেই চলে। আশা করি সকলে বুঝতে পেরেছেন সংসদীয় সরকার কাকে বলে। নিচে দেখুন আরো কিছু প্রমাণ সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
অধ্যাপক ডাইসি বলেন, সংসদীয় সরকার শাসন বিভাগ এবং আইন বিভাগীয় ক্ষমতা একত্রীকরণের ভিত্তিতে গড়ে ওঠে এবং উভয় মধ্যে সামঞ্জস্য বিধান তৈরি হয়। অতএব সংসদীয় সরকার বলতে এমন এক ধরনের শাসন ব্যবস্থা কে বোঝানো হয় যেখানে শাসন ক্ষমতা মন্ত্রী পরিষদের হাতে ন্যায্য থাকে আর মন্ত্রিসভা প্রায় কাজের জন্য আইনসভার নিকট দায়বদ্ধ হয়ে থাকে।
রাষ্ট্রপ্রধান থাকে দুইজন একজন হচ্ছে প্রকৃত ক্ষমতার অধিকারী তার আরেকজন নামে মাত্র প্রধানমন্ত্রী পরিষদের সকল মন্ত্রীকে আইন পরিষদের মধ্যে হতে মানোন্নয়ন করা হয় বলে এই শাসন ব্যবস্থাকে পার্লামেন্টারি সরকার বলা হয়।
প্রিয় পাঠক আশা করি সকলে বুঝতে পেরেছেন সংসদীয় সরকার বলতে কী বোঝায়। এবার চলুন দেখে আসা যাক সংসদীয় সরকারের কতিপয় বৈশিষ্ট্য। এই বৈশিষ্ট্যগুলো আপনার জন্য জানা খুবই জরুরী
সংসদীয় সরকারের কতিপয় বৈশিষ্ট্য
সংসদীয় সরকারের কতিপয় বৈশিষ্ট্য গুলোকে বলা হয় সংসদীয় সরকারের প্রকৃতি। অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীদের নন মেজার সাবজেক্ট এ রয়েছে রাজনৈতিক সংগঠন এবং যুক্তরাজ্য ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ব্যবস্থায় এই বইয়ের দ্বিতীয় চ্যাপ্টারের আপনারা পেয়ে যাবেন সরকারের বিভিন্ন রূপ অধ্যায়টি।
এই অধ্যায় দেয়া হয়েছে সংসদীয় সরকারের গতিপয় বৈশিষ্ট্য গুলো। বর্তমান বিশ্বে সংসদীয় সরকার সবচেয়ে জনপ্রিয় সরকার ব্যবস্থাসমূহের মধ্যে অন্যতম এই শাসন ব্যবস্থায়ী প্রকৃতপক্ষে জনগণের শাসন বাস্তবায়ন হয়। জনগণে নির্বাচিত প্রতিনিধিগন মন্ত্রিসভা গঠন ও অনুমোদন করে।
এই মন্ত্রী সভায় রাষ্ট্রপতিনা করে সংসদীয় সরকারের কিছু বিশেষত্ব রয়েছে যার কারণে এই ব্যবস্থা অন্যান্য ও স্বতন্ত্র। নিচে দেখুন সংসদীয় সরকারের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।
সংসদীয় সরকারের বৈশিষ্ট্য :
সংসদীয় সরকারের অন্যতম কয়েকটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এই তিনি হচ্ছেন একজন প্রকৃত শাসক তিনি হচ্ছেন দায়িত্বশীল শাসন ব্যবস্থার অধিকারী নিয়মতান্ত্রিক শাসক মন্ত্রিসভা গঠন করেন এবং বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করেন।
নিয়মতান্ত্রিক শাসক
সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় রাষ্ট্রের একজন নিমতান্ত্রিক শাসক থাকে। তিনি মূলত শাসন কার্য পরিচালনা করেন না কিন্তু তার নামের শাসনকার্য প্রচলিত হয় তিনি মন্ত্রিসভার পরামর্শ যাবতীয় কার্যাবলী সম্পাদন করে থাকেন।
দায়িত্বশীল শাসন ব্যবস্থা
আইন সভার প্রতিমন্ত্রী সভার দায়বদ্ধ থাকে। মন্ত্রিসভায় কাজের জন্য আইনসভার নিকটে জবাবদিহিতা করতে হয়। এমনকি আইনসভা চাইলে মন্ত্রীসভা কে অনাস্থা জ্ঞাপন এর মাধ্যমে ভেঙে দিতে পারবে।
প্রকৃত শাসক
সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রকৃত শাসক ও মন্ত্রীসভা মন্ত্রীসভার সিদ্ধান্তটির শাসক কর্তৃপক্ষের প্রকৃত আদেশ হিসেবে গণ্য হয়। প্রধানমন্ত্রী এই ব্যবস্থার রিয়েল executive হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
মন্ত্রিসভার গঠন
জাতীয় নির্বাচনে যদি একক দল সংখ্যা গরিষ্ঠ হলে অর্জন করতে পারে তাহলে ওই দলের সদস্যরা মন্ত্রী পরিষেবা গঠন করে অন্যথায় যদি কোন দল একক সংকটস্থতা না পায় তাহলে যুক্তরাষ্ট্র মন্ত্রিসভা গঠন করে।
মন্ত্রিসভার যৌথ দায়িত্বশীলতা
যৌথ দায়িত্বশীলতা হল মন্ত্রিসভার একজন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে আইনসভা অনাস্থা জ্ঞাপন করলে পুরো মন্ত্রিসভা কে পদত্যাগ করতে হয়। মন্ত্রিসভার ওপর আইনসভার এই প্রাধান্যের কারণেই মূলত এই ব্যবস্থাকে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা হিসেবে অভিহিত করা হয়।
বিরোধীদলের ভূমিকা
সুসংগঠিত বিরোধী দল সংসদীয় সরকার ব্যবস্থার অপরিহার্য অঙ্গ হিসেবে বিবেচিত হয়। সরকার ব্যবস্থায় অপরিহার্য অংক হিসেবে বিবেচনা করা হলেও বিরোধী দল গঠনমূলক সমালোচনার মাধ্যমে সরকারকে জনকল্যাণমূলক পথে পরিচালিত করে।
দল ব্যবস্থা
দল ব্যবস্থা সংসদীয় সরকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি বৈশিষ্ট্য অনেক সময় দল ব্যবস্থার কারণেই এই শাসন ব্যবস্থাকে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের শাসন হিসেবে অভিহিত করা হয়।।
পরিশেষে বলা সম্ভব যে আধুনিক রাষ্ট্র ব্যবস্থায়ী সংসদীয় সরকার ব্যবস্থার গুরুত্ব অপরিসীম এই সরকার ব্যবস্থা উপরই উক্ত বৈশিষ্ট্যের কারণে তা অপরাপর ব্যবস্থার চেয়ে উৎকৃষ্ট বিভিন্ন দেশ বিভিন্নভাবে এই শাসন ব্যবস্থা কার্যকর করে থাকলেও এই ব্যবস্থা সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং স্বীকৃত ব্যবস্থা।।
সরকার কি? সরকার বলতে কি বুঝ
অনেকেই জানতে চান যে সরকার কি এবং সরকার বলতে কী বোঝো তার হাতে কি কি ক্ষমতা থাকে এবং সে কি কি করতে পারে?? রাষ্ট্র একটি তত্ত্বগত বা বিমূর্ত ধারণা রাষ্ট্রকে চাক্ষুষ করা সম্ভব না। রাষ্ট্র এর কোন রূপ নেই। সরকারই হচ্ছে রাষ্ট্রের রূপকার এক্ষেত্রে উইলবি বলেছিলেন যে the organisation of machinery through which the state formulas and executes its well is termed as government.
অর্থাৎ যে সংস্থার ও যন্ত্রপাতির মাধ্যমে রাষ্ট্রদার ইচ্ছা প্রণয়ন এবং বাস্তবায়ন করে তাকে বলা হয় সরকার। অর্থাৎ সহজপাঠে বলা যায় সংস্থা যে যন্ত্রপাতির মাধ্যমে তার ইচ্ছা কে প্রণয়ন করে এবং বাস্তবায়ন করে তাকে বলা হয় সরকার।
সরকার: সরকার এই শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দ হচ্ছে গভরমেন্ট। যাদের ওপরে রাষ্ট্রপ্রধানার ভার আর্পিত থাকে তাদেরকে মূলত সমষ্টিগতভাবে সরকার বলা হয় রাষ্ট্রের মূল তিনটি বিভাগ কিংবা আস্থা বিদ্যমান রয়েছে। এক শাসন বিভাগ দুই আইন বিভাগ আর তিন হচ্ছে বিচার বিভাগ।
এতিম শাসন বিভাগের সমষ্টিকে বলা হয় সরকার। বাংলাদেশ এই তিন বিভাগ মিলেই সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে। এ বিষয়ে বেশ কয়েকজন বিশেষ বিশেষ সংলাপ প্রদান করেছেন নিচের প্রমাণ্য সংজ্ঞা আলোচনা করা হলো।
প্রমাণ্য সংজ্ঞা
অধ্যাপক গার্নার বলেন, government is the agency or machinery through which common polishes are determined and by which common affairs are regulated and common interest promoted।
অর্থাৎ সরকার হলো একটি কার্যনির্বাহী মাধ্যম কিংবা যন্ত্রয আর মাধ্যমে রাষ্ট্রের সাধারণ নীতি নির্ধারিত হয় আর যাতে তারা সাধারণ কার্যক্রমে অনুষ্ঠিত হয় এবং সাধারণ স্বার্থ সাধিত হয় বা অর্জিত হয়।
অধ্যাপক গেটেল বলেন,, government is the organisation or machinery of the state। অর্থাৎ সরকার হচ্ছে রাষ্ট্রের একটি সংস্থা কিংবা যন্ত্র।
অ্যারিস্টটল বলেন, সরকার বলতেই সেই নাগরিকদের বোঝানো হয় যারা রাষ্ট্রের অন্যান্য জনগণের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতির জন্য ক্ষমতায় আরোহন করে।
উইলবী বলেন, সরকার হচ্ছে এমন একটি প্রতিষ্ঠান বা যন্ত্র যার মাধ্যমে সরকার তার ইচ্ছাকে গঠন এবং কার্যকর করে।
পরিশেষে বলা সম্ভব যে রাষ্ট্রের ইচ্ছা অনিচ্ছা বিধি-নিষেধ সমূহ যে প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়নি নিয়ন্ত্রিত হয় আর প্রচলিত হয় তাকে মূলত সরকার বলা হয়। মূলত সরকার বিহীন রাষ্ট্রের অবস্থা মাঝিবিহীন নৌকার মতো। মাঝিবিহীন যেমন নৌকা চলতে পারেনা তেমনি সরকারবিহীন কোন দেশ চলতে পারে না।
গণতন্ত্র বলতে কি বুঝ
যারা রাষ্ট্রবিজ্ঞানের শিক্ষার্থী রয়েছে তাদের জন্য গণতন্ত্র খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি চ্যাপ্টার। আধুনিক রাষ্ট্রবিজ্ঞানী গণতন্ত্র একটি বহুল আলোচিত বিষয়। রাষ্ট্র বিজ্ঞানে অপর কোন বিষয়কে কেন্দ্র করে কখনো এত বেশি আলোচনার ঝড় কিংবা এত বেশি বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়নি যতটা গনতন্ত্রকে কেন্দ্র করে হয়েছে।
গণতন্ত্র প্রাচীনকাল থেকে গ্রিস দেশের শাসন ব্যবস্থার উদ্ভব হয়ে আজ এটি হয়েছে একটি প্রভাবশালী সরকার ব্যবস্থা। যে এস মিল গণতন্ত্রকে বর্তমান যুগের শ্রেষ্ঠ আবিষ্কার বলে অবহিত করেছেন। গণতন্ত্র : সাধারণভাবে গণতন্ত্র বলতে এমন এক ধরনের শাসন ব্যবস্থা কে বোঝানো হয়েছে যেখানে জনগণ প্রত্যক্ষভাবে কিংবা পরোক্ষভাবে প্রতিনিধিদের মাধ্যমে নিজেদের শাসন করেন।
অর্থাৎ বলা যায় যে শাসন ব্যবস্থার শাসন ক্ষমতা এক কিংবা মুসলিম এই লোকের হাতে নাট্য না থেকে রাষ্ট্রের সকল জনগণের উপর ন্যস্ত থাকেন আর অধিকাংশ জনগণকে মতামত প্রকাশের স্বাধীনতা দেয়া হয় তাকে বলা হয় গণতন্ত্র।
প্রমাণ্য সংজ্ঞা
স্যার ক্রিপস বলেন, গণতন্ত্র বলতে আমরা এমন এক ধরনের শাসন ব্যবস্থাকে বুঝি যেখানে প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির সব বিষয় তাদের মতামত প্রকাশ করতে পারবে এবং সকলের মধ্যে নিজ নিজ মত প্রকাশের স্বাধীনতা ব্যস্ত থাকবে।
অধ্যাপক গিডিংস বলেন, গণতন্ত্রকে একটি শাসন ব্যবস্থার রাষ্ট্র ব্যবস্থা সমাজব্যবস্থা এবং এদের সম্মিলিত রূপ বলেই মনে করা হয়।
সি এফ স্ট্রং বলেন, democracy impulse that government which shell rest on the active consent of the governed। অর্থাৎ গণতন্ত্র হচ্ছে যেখানে শাসন ব্যবস্থা শাসিত সক্রিয় সম্মতির ওপর প্রতিষ্ঠিত।
পরিশেষে বলা সম্ভব রাষ্ট্রীয় চূড়ান্ত ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতিতে তাতে জনগণ অবাধে অংশগ্রহণ করতে পারে তা নিশ্চিত করতে যে প্রতিষ্ঠানগত দেখা অনুসরণ করা হয় তাই গণতন্ত্র। গণতন্ত্র এর মূল কথা হচ্ছে জনগণ সকল ক্ষমতার অধিকারী।
উপসংহার
প্রিয় পাঠক আজকের এই পোস্টে আমরা আলোচনা করলাম সংসদীয় সরকার কি? সংসদীয় সরকার বলতে কি বুঝ? সরকার কি গণতন্ত্র কি?? আজকের এই পোস্টে রাষ্ট্রবিজ্ঞান সম্পর্কিত তথ্য নিয়ে আলোচনা করলাম আশা করছি আজকের এই পোষ্টের মাধ্যমে তোমরা যারা রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী রয়েছে তোমরা উপকৃত হয়েছে।

বাংলা আইটিটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url